• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

এসএসসি ও এইচএসসির সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ

সিসি ডেস্ক ।। এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য আবারও সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত এই সিলেবাস গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশ করে সব শিক্ষা বোর্ড।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা রয়েছে, আগামী জুনে এসএসসি ও জুলাই-আগস্টে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর এসএসসিতে ৬০ কর্মদিবসে এবং এইচএসসিতে সর্বোচ্চ ৮০ কর্মদিবস ক্লাস করানোর পরিকল্পনা অনুযায়ী সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার এনসিটিবিতে আয়োজিত এক সভায় সিলেবাস আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহল আহমেদের কাছে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস জমা দেওয়া হয়। এরপর সব বোর্ডের কাছেও তা পাঠানো হয় এবং রাতেই প্রকাশ করা হয়।

এনসিটিবির একজন কর্মকর্তা জানান, যেটুকু না পড়লে নয়, শুধু সেটুকু অধ্যায় দিয়ে নতুন করে বিষয়ভিত্তিক সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে সব বিষয়েই প্রশ্নের বিভাজন ও নম্বর কাঠামো ঠিকই থাকবে। অর্থাৎ যে সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে সেখান থেকেই প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে। তবে ইংরেজি বিষয়ে গ্রামার অংশের ন্যারেশন, বাক্য গঠনসহ বেশ কিছু অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে। ইংরেজিতে রচনাও লিখতে হবে না।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি এসএসসির সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করার পর তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। কারণ প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তিন-চার মাসের মধ্যে শেষ করা সম্ভব নয় বলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আপত্তি জানান। এরপর শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে সিলেবাস আরও সংক্ষিপ্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ২৭ জানুয়ারি এনসিটিবিকে এটি আরও সংক্ষিপ্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। গত ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাদের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।

প্রথম দফায় প্রকাশিত সিলেবাসে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বাদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার প্রতিটি বিষয়ে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ অধ্যায় নির্বাচন করে সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। কারণ এবার কোনোভাবেই অটোপাস দিতে রাজি নয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ